শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল জেলা পরিষদের কর্মচারীকে মারধর

বরিশাল জেলা পরিষদের কর্মচারীকে মারধর

প্রতিনিয়তই বরিশাল জেলা পরিষদের ঘটে চলছে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। সদস্যদের খামখেয়ালী পনায় দিন দিন জেলা পরিষদের সেবা ব্যহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একক আধিপত্য বিস্তারের পায়তারা চালাচ্ছে সদস্যরা। সচিব এর রুম দখল করে চলছে অবৈধ লেনদেন ও প্রকল্প বাণিজ্য। প্রতি বছর জুন মাস আসলেই তাদের (সচিব) এর রুমে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। প্রতি মাসিক সভায় চলছে তাদের অশ্লীল আচরণ। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুলাই বরিশাল জেলা পরিষদে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী দারোয়ন-কাম-কেয়ারটেকার আব্দুর রহীমকে বেধরক মারধর করেছে বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ জিল্লুর রহমান মিয়া ও সদস্য মোঃ মনোওয়ারুর ইসলাম অলি। বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও কোতয়ালী মডেল থানা বরাবর অভিযোগ পত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ জিল্লুর রহমান মিয়া ও সদস্য মোহাম্মদ মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী রহীম এর সাথে অশ্লিল আচরণ করে। এরই মধ্যে সদস্য মোঃ জিল্লুর রহমান মিয়া ও সদস্য অলি বেধরক মারধর করে ও রুম থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় ও ঘটনা যদি কারো কাছে বলা হয় তাহলে খবর আছে এবং রহীমকে প্রাণ নাসের হুমকি প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। আরো এফআই আর এর উল্লেখ আছে যে, ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী রহীম এর সাথে অশ্লীল ব্যবহার এবং মারধর করায় তিনি সামাজিকভাবে হেয় প্রতীপন্ন হয়েছে। ইতিপুর্বে বেশ কয়েকবার রহীমকে মারধর করার জন্য উদ্যত হয় ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়। বিভিন্ন সময় অফিসে মাদকাসক্তির জন্য সেগারেট আনতে বলে তিনি যদি না আনে তারা প্রায় সময় তার সাথে অশ্লীল আচারণ করে যা বরিশাল জেলা পরিষদের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা আছে বলে যানা গেছে। অভিযোগে আরো উল্লেখ্য করেন, উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রদানসহ কর্তব্যে বাধা দান, ইচ্ছাকৃত ভাবে আঘাত ও জীবন নাসের হুমকি বিচারসহ অন্যত্র বদলী করার দাবী জানান। এদিকে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা জানায় এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হলে তারা কর্ম বিরতিতে যাবে। সদস্য জিল্লুর রহমান মিয়া ও মোঃ মনাওয়ারুল ইসলাম ওলি রহীমকে মারধর করছে এর বিচার না হলে তারা সামনে অন্যান্য কর্মচারীদের মারধর করবে। এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মোঃ মানিকহার রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার অফিসের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে সদস্যরা মারধর করেছে যা সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা আছে। আমরা আইনগত ভাবে এগুচ্ছি। যাতে ভবিষৎতে এর রকমের অনিকাংখিত ঘটনা আর জেলা পরিষদের না ঘটে। বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, কোতয়ালি মডেল থানাকে অভিহত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মইদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলে তার মোবাইল ফোন রিসিভ করেনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
Design By MrHostBD