বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
স্বরূপকাঠির লম্পট মাইনুল হোসেনসহ ও তার পরিবারের অপকর্মের শেষ নেই

স্বরূপকাঠির লম্পট মাইনুল হোসেনসহ ও তার পরিবারের অপকর্মের শেষ নেই

স্বরূপকাঠির লম্পট মাইনুল হোসেনসহ ও তার পরিবারের অপকর্মের শেষ নেই
স্বরূপকাঠির লম্পট মাইনুল হোসেনসহ ও তার পরিবারের অপকর্মের শেষ নেই

স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি:

পিরোজপুর নেছারাবাদ স্বরূপকাঠির উপজেলা সোহাগদল ইউনিয়ন এর বিষ্ণুকাঠি গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুশ্চরিত্রা ও  লম্পট ,একাধিক নারী কেলেঙ্কারির ও মাদক সেবনকারী মাইনুল হোসেন ।এর বিরুদ্ধে নানা অপকর্ম  সাথে জড়িত এবং পরিবারেরসহ  বিরুদ্ধে এমনটা অভিযোগ পাওয়া গেছে।  যার নেশা পেশা ছিল মেয়েদেরকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা , কখনো তার রূপ ধরে নায়ক কখনো ধরে ভিলেন তার ধারাবাহিকতায়। মাইনুল হোসেন (২৫) নারীদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করে আসছেন বহু বছর ধরে , তার পার্শ্ববর্তী বাড়ির পাশে  হেলাল উদ্দিনের মেয়ে ফারজানা আক্তার কলি ( ১৬) তার জীবনটাকে নরকের পরিণত করেছেন লম্পট মাইনুল হোসেন। ফারজানা আক্তার কলিকে মিথ্যা আশ্বাস প্রতারণার ফাঁদে প্রেমের সম্পর্ক করেন, এবং মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন ,তার স্কুল ও কলেজের পথে  বাধা হয়ে দাঁড়ান মাইনুল হোসেন। কিছু বছর যাবত স্কুল পড়ুয়া কলিকে একের পর এক বিরক্ত উত্তপ্ত করে আসছেন মাইনুল হোসেন,হঠাৎ একদিন ফারজানা আক্তার কলিকে প্রেমের প্রস্তাব দেন মাইনুল হোসেন ।ফারজানা আক্তার কলি অনেক বছর যাবত উত্ত্যক্ত করার পর তার প্রতি মন দুর্বল হয় নি ।কিন্তু কিভাবে তাকে মন গলানো সেটা একমাত্র উপরওয়ালা ভালো জানে কিন্তু সে তার প্রেমের প্রস্তাব রাজি হন সে জানতো না তার ভিতর লুকিয়ে ছিল ভয়ঙ্কর একটা শয়তানি ,বেইমানির ,রুপ তার সরল মনটা নিয়ে একের পর এক খেলায় মগ্ন মাইনুল হোসেন। ফারজানা আক্তার কলি একপর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাবে রাজী হন , মনের দুর্বলতা নিয়ে মাইনুল হোসেন বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং মিথ্যা ভালোবাসার প্রতারণায় ফেলে তাকে সর্বস্বান্ত করেন। হঠাৎ একদিন ফারজানা আক্তার কলি ফজলুর রহমান মহিলা কলেজ মিয়ারহাট একাদশ শ্রেণির ছাত্রী, ২০/২/২০২১ খিঃ সকাল অনুমান নয় ঘটিকার সময় বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ার জন্য উদ্দেশ্যে জান। পরবর্তী সে তার বাসায় ফিরে আসেন নাই তার পরিবার চিন্তায় ছিলেন সকালবেলা এরা বিটিভির হয়েছেন সন্ধ্যা পর্যন্ত এখনো আসেনি।স্থানে খোজাখুজি করেন এবং সন্ধান পাওয়া যায়নি। একদিন একদিন একরাত চলে গেল।তার আদরের মেয়ে ফারজানা আক্তার কলি বাডি ফিরে আসেননি বাবা অস্থির  ও পাগল হয়ে গেছেন আমার মেয়ে কোথায় গেছে। খোঁজাখুঁজির পর নেছারাবাদ থানায় ছুটে যান নেছারাবাদ থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নং ৯৭৬। বাবা তার মেয়ের বিবরণ দেন একটি হারানো বর্ণনা। নাম ফারজানা আক্তার কলি ( ১৬)লম্বা 5 ফুট 4 ইঞ্চি গায়ের রঙ শ্মলা মুখমন্ডল গোলাকার মাথার চুল লম্বা ও কালো রঙের সালোয়ার-কামিজ ও নেবিবুলু বোরখা। এবং তিনি বরিশাল আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। ফারজানা আক্তার কলির বাবা হেলাল উদ্দিন একদিন দুই দিন হয়ে গেল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না মেয়েকে। এমন একটা সময় হেলাল উদ্দিন জানতে পারেন , লম্পট দুশ্চরিত্রা ও ঘাতক , আবুল কালাম ছেলে মাইনুল হোসেন , পাছাতে অনেকদিন পর্যন্ত সম্পর্ক ছিল। হেলাল হোসেন তার মেয়ে কলির মাইনুল সম্পর্কে প্রেমের ঘটনা জানতে পারেন লোক দ্বারা শুনতে পারেন মাইনুল হোসেন তার পরিবার তার মেয়েকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে। এবং হেলাল উদ্দিন থানায় একটি মামলা করেন ২৩/২/২০২১ মামলা নং ১৩। 1 নং আসামী মাইনুল হোসেন ( ২৫) তার ছোট ভই  আমানুল ইসলাম (২১) পিতা আবুল কালাম, পিতা মৃত মুছার উদ্দিন, মোছাম্মৎ মারুফা বেগম (৪৫) স্বামী মোঃ আবুল কালাম, মোঃ শাহাদাত হোসেন (৬৫) , পিতা-মৃত কাসেম আলী, সব সাং -বিষ্ণু কাঠি ওয়ার্ড নং ৮ নেছারাবাদ পিরোজপুর। আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী হেলাল উদ্দিন ( ৪৪) পিতা-মৃত সোলেমান ,সাং সোহাগদল ওয়ার্ড নংঃ ৯ নেসারাবাদ পিরজপুর,বিবাদী বিরুদ্ধে এই মর্মে এজাহার দায়ের করতে চাই আমি বিভাদির পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের লোক আমার মেয়ে মোছাম্মদ ফারজানা আক্তার কলি ,ফজলুর রহমান মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ।এক নং বিবাদী আমার মেয়ে চলার পথে ফেরার সময় প্রেম নিবেদন ও বিরক্ত করতো এবং বিভিন্ন সময় আমার মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিত। উক্ত বিষয় আমার মেয়ে এক নং সাক্ষী কে জানান। আমার স্ত্রী আমাকে বিষয়টি জানালে আমি ২ ,৩ ও ৫ নং বিবাদীকে জানালে তাহার বিষয়টি কর্ণপাত না করা য় , ১ নং বিবাদীকে আরো উৎসাহিত করে। এয়ারপোর্ট থেকে এক নং বিবাদী ক্ষিপ্ত থাকে, জার জের দাঁড়িয়ে গত ২০/২/২০২১ তারিখ সকাল অনুমান ৯ ঘটিকার সময় আমার মেয়ে বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়, বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপরে পৌঁছালে পূর্ব থেকে পেতে থাকেন মাইনুল হোসেন ও তার পরিবার, মাইনুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন, বিবাদীর সহয়তায় আমার মেয়েকে মোটরসাইকেলযোগে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যান।আমার মেয়েকে না পেয়ে থানায় আসিয়া সাধারণ ডায়েরি করি । পরবর্তীতে আবুল কালাম ও মারুফ হবে গো বিবাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাহারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন।বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি হুমকি-ধামকি প্রদান করেন, একপর্যায়ে বলে তোর মেয়ে আমার ছেলের সাথে গেছে যদি পারো তাদেরকে দিয়ে দিয়ে দিস তোর মেয়ে আর কখনো ফিরে আসবে না।আমার ছেলে নিয়ে তাকে পালিয়ে গেছে এই বলে আমাকে একেবারে হুমকি-ধামকি দিয়ে থাকেন তার মা-বাবা তার আত্মীয়-স্বজন। ওই আশা ভরসা সবকিছু নিয়ে ওকে বেঁচে থাকা। আমি যত কষ্ট সহ্য করব কিভাবে এরচেয়ে আমাকে মরে যাওয়াই ভালো। মেয়ের বাবা মাকে কিছু বললে তারা কর্ণপাত করলো না একেবারে হুমকি-ধামকি দিয়ে গেল।এবং আমার অর্থসম্পদের জন্য পড়া মরিয়া হয়ে গেছে এবং মাইনুল হোসেন ও তার ভাই এবং সঙ্গীরা সবাই মিলে আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে নাজানি আল্লাহ কোথায় আছে। এই বিষয় নিয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০ সংশোধিত আইনে মামলা করেন।হেলাল উদ্দিন এর আকৃতি এবং মিনতি করে বলেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমার মেয়েকে পতে চাই। এই মামলা করার অজুহাতে একের পর এক নাটক সাজিয়ে যাচ্ছেন আবুল কালামের পরিবার। হেলাল উদ্দিনের সম্পত্তির উপর লোভ-লালসা দেখিয়ে যাচ্ছেন, মাইনুল হোসেন, আমানুল ইসলাম ,আবুল কালাম, মারুফা বেগম, শাহাদাত হোসেন, হেলাল উদ্দিনকে ফাঁসানোর জন্য ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে,মাইনুল হোসেন ,আমানুল ইসলাম আবুল কালাম, মারুফা বেগম শাহাদাত হোসেন, তারা নিজের ঘরে ভাঙচুর করেন এবং হাঁস, কবুতর মেরে , এবং স্বর্ণ অলংকার কাগজপত্র সরিয়ে ফেলে মিথ্যা মামলার অভিযোগ করেন নেছারাবাদ থানা য় এমনটা সত্যতা  এলাকায় গিয়ে লোকজনের কাছে পাওয়া গেছে হেলাল উদ্দিনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। ফারজানা আক্তার কলিকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মিথ্যা স্বাক্ষর থানায় ও কোর্টে মিথ্যা অভিযোগ করেন বাবার বিরুদ্ধে। এমন একটা সত্যতা পাওয়া গেছে ফারজানা আক্তার কলির মুখে। ইসলামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, । আবুল কালামের বাসায় লুটপাট হামলা-ভাঙচুর এগুলো সব মিথ্যা ভিত্তিহীন তারও অপকর্ম করে  হেলাল উদ্দিনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করতেছে। আমি এই বিষয় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।  বিরুদ্ধে তার অর্থ সম্পদের উপর লোভ তাদের। তারা এখনো হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন, আবুল কালামের এলাকার লোকজন বলেন,যেদিনের ঘটনা হয়েছে এগুলো সব মিথ্যা তাদের তিনটার সময়  লুটপাটের ঘটনা মিথ্যা বানোয়াট তারা এগুলো সাজানো নাটক। এমনকি সংবাদকর্মীর কাছে আবুল কালাম বক্তব্য দেন, আমার বাড়িতে দুপুর তিনটার দিকে হেলাল উদ্দিন ও তার বাহিনী নিয়ে এবং নেছারাবাদ থানা অফিসার এসআই রিয়াজ উদ্দিন সরোজমিনে থেকে আমার বাড়ি ভাঙচুর করেন , এবং লুটপাট স্বর্ণলঙ্কা টাকা-পয়সা নিয়ে যান এবং পশুপাখি মেরে ফেলেন।
এই বিষয়ে ঘটনা এসআই রিয়াজকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সে বলেন, আমির খানের অভিযোগ পাওয়ার সততা জানার জন্য গিয়েছিলাম এই ধরনের লুটপাট গঠনা কিছু হয়নি সব মিথ্যা ভিত্তিহীন। এলাকার জনগণ সুশীল সমাজের লোক বলেন নাম না বলার ইচ্ছুক, মাইনুল হোসেন একটা বেয়াদব প্রকৃতির লোক, তার অপকর্মের কোন শেষ নেই, যেমন ২০১৭ সাল এনায়েত মার্কেট এবং মুনসুর মাস্টার  বাড়ির সামনে থেকে হাতেনাতে ধরা মাইনুল ও ছদ্মনাম  (রূপা) একপর্যায়ে তাদেরকে বিশ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় সন্ধ্যার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সায়েমকে জানালেন একপর্যায়ে বড় সমাজে পালিশমেন্ট করা হয়। ২০১৮ সালে একি রূপ বারবার ধারণ করেন লম্পট দুশ্চরিত্রা মাদকাসক্তি, ইভটিজিং কারি মাইনুল হোসেন ও (বিথী ) স্কুলপড়ুয়া সাথে হাতে হাত ধরে জোর জবর দখল করেন বীথির সাথে নিরঞ্জন মার্কেট ইসলামপুর মাদ্রাসার সামনে থেকে । শালিক ব্যবস্থা করে জরিমানাও মারধর করা হয়। এমন চরিত্র বারবার ধারণ করেন মাইনুল হোসেন অপকর্ম শেষ এখনো ক্ষান্ত হয়নি ।মাইনুল হোসেন চার থেকে পাঁচ মাস আগে নারায়ণগঞ্জ শাহিনুর ইসলাম নামে মালিকের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন একটি মাছের আরত তাকে সর্বস্বান্ত করে ফেলছেন মাইনুল হোসেন, এমনটা অভিযোগ করেন শাহিনুর ইসলাম ।সেখান থেকে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান, ওখানকার মালিক শাহানুর ইসলাম অভিযোগ করে বলেন। মাইনুল হোসেন তার ছিল বিশাল আকারের মাদকাসক্তি শুধু তাই নয় ,এমনকি ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ব্যবসা কালীন সময়  মাদক সেবন করেন এমনটা ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে সত্যতা মিলছে। শাহিনুর ইসলাম বলেন মুঠোফোনে বলেন আমি আইনগত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। এ ঘটনায় বিষয় নিয়ে স্বরূপকাঠি উপজেলা শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন,এ ঘটনা শোনার পর আমি নিজেকে লজ্জিত মনে করছি নিজের বাড়ি লুটপাট করে অন্যকে হাসানোর চেষ্টা করতেছে, এবং পুলিশকে ফাঁসানোর চেষ্টা পাঁয়তারা করিতেছে আমি এই বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি দেখার জন্য।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
Design By MrHostBD