বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নগরীর মথুরানাথ পাবলিক স্কুল এর ৫৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। বরিশালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন নগরীর আলেকান্দা কাজীপাড়া এলাকায় এক প্রবাসীর ক্রয় করা জমির গেট ভাংচুর করছে প্রতিপক্ষরা। বছরের প্রথমদিনে সরকারের দেওয়া বিনামূল্যের বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন শান্তি প্রিয় যুবসমাজ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে , অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি বরিশাল এর ২য় ব্যাচের ক্যাডেটদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী আমার কোন দল নেই -সালাউদ্দিন রিপন বরিশাল বিভাগে নূরানী ৩য় শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ আমি গরীবের বন্ধু সারাজীবনই গরীবের সেবা করতে চাই,বানীতে সালাউদ্দিন রিপন, কমিটির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ইন্ডেক্সধারি শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির দাবি
জাল নোট তৈরি গ্রেপ্তার- ৪

জাল নোট তৈরি গ্রেপ্তার- ৪

জাল নোট তৈরি গ্রেপ্তার- ৪

ডেস্ক:

ডিএমপির গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ কামরাঙ্গীরচর থানাধীন নোয়াগাঁও এলাকা অভিযান চালিয়ে জাল টাকা তৈরির একটি মিনি কারখানা আবিষ্কার করেছে। এই সময় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুইজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। তাদের হেফাজত থেকে জব্দ করেছে তৈরিকৃত ৪৬ লাখ টাকা ও জাল টাকা তৈরির বিপুল সামগ্রী। ডিবি গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান জানান, লকডাউন একটা সহনশীল পর্যায়ে চলার কারণে এবং রাজধানীরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়  বিপণিবিতান/দোকানপাট খুলে দেয়ায় এবং ক্রমান্বয়ে ক্রেতাসাধারণের ভিড় পরিলক্ষিত হওয়ায় জাল টাকা তৈরি করার কাজগুলো তারা জোরেশোরে শুরু করেছে। প্রথমদিকে তারা সাভারের জ্ঞানদা এলাকায় জাল টাকা তৈরি করতে থাকলেও ঈদকে কেন্দ্র করে তারা কামরাঙ্গীরচরে জাল টাকা তৈরির ব্যবসা শুরু করে গত তিন মাস ধরে। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার জীবন ইতিপূর্বেও জাল টাকা তৈরির সাথে জড়িত থাকার কারণে একাধিকবার জেল খেটেছে। ডিসি মশিউর রহমান জানান, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুইটি ল্যাপটপ, দুইটি প্রিন্টার, হিট মেশিন, বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিন, ডাইস, জাল টাকার নিরাপত্তা সূতা, বিভিন্ন ধরনের কালি, আঠা এবং স্কেল কাটারসহ আরও অনেক সামগ্রী যা দিয়ে আরও কম করে হলেও দেড় কোটি জাল টাকা তৈরি করা সম্ভব হতো। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে পিয়াস ওরফে ইমাম হোসেন বরিশাল পলিটেকনিক্যাল থেকে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সাইন্স বিষয়ে ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। ইতিপূর্বে তিনি গ্রামীনফোনে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামি ভিদে বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক্যাল কলেজ থেকে পাওয়ার এর উপরে ডিপ্লোমা করেছেন। বেশি টাকা প্রাপ্তির লোভে তিনিও বৈধ চাকরি ছেড়ে দিয়ে জাল টাকা তৈরির অবৈধ কাজে যোগ দেন। এই ২ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের তৈরি জাল টাকার কোয়ালিটি যথেষ্ট উন্নত। আসন্ন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে লক্ষ্য করে জাল টাকা তৈরি করার বড় ধরনের পরিকল্পনা ছিল তাদের। আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
Design By MrHostBD