বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নগরীর মথুরানাথ পাবলিক স্কুল এর ৫৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। বরিশালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন নগরীর আলেকান্দা কাজীপাড়া এলাকায় এক প্রবাসীর ক্রয় করা জমির গেট ভাংচুর করছে প্রতিপক্ষরা। বছরের প্রথমদিনে সরকারের দেওয়া বিনামূল্যের বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন শান্তি প্রিয় যুবসমাজ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে , অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি বরিশাল এর ২য় ব্যাচের ক্যাডেটদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী আমার কোন দল নেই -সালাউদ্দিন রিপন বরিশাল বিভাগে নূরানী ৩য় শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ আমি গরীবের বন্ধু সারাজীবনই গরীবের সেবা করতে চাই,বানীতে সালাউদ্দিন রিপন, কমিটির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ইন্ডেক্সধারি শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির দাবি
এবার সার্টিফিকেট পোড়ালেন ঢাকা কলেজের ছাত্র

এবার সার্টিফিকেট পোড়ালেন ঢাকা কলেজের ছাত্র

এবার সার্টিফিকেট পোড়ালেন ঢাকা কলেজের ছাত্র
এবার সার্টিফিকেট পোড়ালেন ঢাকা কলেজের ছাত্র

ডেস্ক:

সরকারি ইডেন কলেজের এক ছাত্রী সম্প্রতি সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলার পর সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে তার চাকরি হয়। এই ঘটনার এক সপ্তাহ না যেতে এবার ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুস সালাম তার সার্টিফিকেট পুড়িয়েছেন। সরকারি চাকরির জন্য অনেক আবেদন করেও চাকরি পাননি। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সও শেষ। তাই নিজের সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে একটি রেস্টুরেন্টের ভেতর সালাম তার সার্টিফিকেট পোড়ান। সার্টিফিকেট পোড়ানোর ছবি ও ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। আব্দুস সালাম মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে। শহরের স্টেশন রোডে ‘কুটুম বাড়ি’ নামে তার একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। চাকরি না পেয়ে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্র আব্দুস সালা জানিয়েছেন, ২০০৬ সালে মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৮ সালে ময়মনসিংহের আলমগীর মনসুর (মিন্টু) মেমোরিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। ২০১৬ সালে ঢাকা কলেজ থেকে দর্শন শাস্ত্রে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষে এনএসআই, রেলওয়ে ও পুলিশের এসআইসহ বিভিন্ন চাকরিতে আবেদন করেও চাকরি হয়নি।  চাকরির বয়স শেষে হতাশ হয়ে নিজের শহরে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে সালাম বলেন, স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছি, রেজাল্টও ভালো, কিন্তু অসংখ্য আবেদন করেও চাকরি হয়নি। অথচ লবিং-ঘুষে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরাও চাকরি পেয়েছে। এখন আমার বয়স ৩৬ বছর। সরকারি-বেসরকারি কোনো চাকরিতেই আর আবেদনের সময় নেই। তিনি বলেন, অকেজো এই সার্টিফিকেট তাই পুড়িয়ে দিলাম। সরকারি চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি জানাই। এতে আমার না হোক পরবর্তী প্রজন্ম উপকৃত হবে। তাদের হয়তো এভাবে হতাশায় আর সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিতে হবে না। বয়সসীমা সবার জন্য না বাড়িয়ে সার্টিফিকেট পোড়ানোর কারণে ইডেন কলেজের ছাত্রী মুক্তাকে চাকরি দেওয়া ঠিক হয়নি উল্লেখ করে সালাম বলেন, এটা মন্ত্রী মহোদয় ঠিক করেননি। একজনের জন্য আলাদা নিয়ম হতে পারে না। সবার জন্য চাকরির বয়সসীমা বাড়ানো দরকার। তাহলে সবাই এই সুযোগটা পাবে। মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছাব্বির আহমেদ আকুঞ্জি বলেন, এভাবে সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলা ঠিক নয়। পড়াশোনা আসলে চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য। এ জ্ঞান জীবনের সব ক্ষেত্রেই কাজে লাগবে। সবার তো চাকরি হয় না। তাই চাকরির চেষ্টার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। তাহলে এই হতাশাগুলো আর থাকবে না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
Design By MrHostBD