বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
ঝালকাঠিতে খালের পেটে ৩ কিলোমিটার রাস্তা

ঝালকাঠিতে খালের পেটে ৩ কিলোমিটার রাস্তা

রিপোর্ট আজকের বরিশাল:
ঝালকাঠি পৌর এলাকার কিস্তাকাঠি আবাসন থেকে বাদামতলী খেয়া ঘাট হয়ে বাসন্ডা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ বাসন্ডা খালের ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডের কয়েক হাজার বাসিন্দা। সরেজমিনে দেখা গেছে শহরের কিফাইতনগর ও বাসন্ডা এলাকায় খালের পশ্চিম পাড়ের রাস্তা ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। রাস্তা খালের মধ্যে চলে যাওয়ায় শতাধিক পরিবারের লোকজনকে হাঁটা-চলার ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা একাধিক স্থানে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে কোনোরকমে চলাচল করছেন। পাশাপাশি নদীর পাড় ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিক জোয়ারের পানি ঢুকে বসতবাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সাবেক মেয়র আফজাল হোসেন সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। এমনকি এলাকার বর্তমান কাউন্সিলরও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। তাদের দাবি বর্তমান মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ একটি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেবেন। পশ্চিম ঝালকাঠি এলাকার বাসন্ডা খাল পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, হাঁটার পথ খালে বিলীন হওয়ায় স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে মানুষের বসতভিটা তলিয়ে যাচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে সামান্য কিছু হাঁটার পথ থাকলেও বেশিরভাগই ভেঙে খালের মধ্যে চলে গেছে। লবন শ্রমিক জলিল মাঝি বলেন, আমরা ঝালকাঠির বর্ধিত পৌর এলাকার নাগরিক হলেও আমাদের হাঁটাচলার কোনো রাস্তা নেই। বাসন্ডা খালের ভাঙন না থামায় নদীর পাড়ও ভাঙছে। আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি কেটে বাঁধ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে এভাবে কত দিন চলব? গৃহবধূ বেলা রানী পাল বলেন, নির্বাচন এলেই মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীরা আমাদের প্রতিশ্রুতি দিলেও নদী ভাঙন প্রতিরোধ করে সড়ক নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয় না। সাবেক মেয়র আফজাল হোসেন আমাদের এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেও তার বাস্তবায়ন দেখিনি। মাটির হাঁড়ি পাতিল বিক্রেতা দেবাশিষ পাল বলেন, রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় কেউ অসুস্থ হলে আমরা তাকে ঠিক সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারি না। মাটির তৈজসপত্র পোড়ানোর তাফাল ঘর একবার ভিতরে সরিয়ে এনেছি। নদী ভাঙনের কারণে আবার সরাতে হবে। তারা জানান, বর্ষাকালে জোয়ারের আগেই এবং অতি বৃষ্টির কারণে এই এলাকা তলিয়ে যায়। তখন ঘর থেকে নামার কোনো উপায় থাকে না। নদীর পাড় পিচ্ছিল হওয়ায় সেখান দিয়ে হাঁটা যায় না। মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, পশ্চিম ঝালকাঠির কিস্তাকাঠি আবাসন প্রকল্প থেকে সরাসরি বাসন্ডা সেতু পর্যন্ত নদীর পাড় হয়ে একটি সড়ক নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আশা করছি প্রকল্পটি পাশ হলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD