বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক গরুর খামার। এ উপজেলার খামরিরা ঈদুল আযহা উপলক্ষে গবাদিপশু মোটা তাজা করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ঈদুল আযহায় করোনা আতঙ্কে গরু হাটে বিক্রি করা ও বাজার দাম নিয়ে হতাশ প্রকাশ করেছেন গরুর খামারিরা। জানা গেছে, এ উপজেলায় ছোট বড় অসংখ্য গরু মোটাতাজাকরণ খামার গড়ে উঠেছে । এখন শুধু ঈদুল আযহার আপেক্ষায় দিন গুণছে এলাকার গরুর খামারীরা। এখানকার গরু শিকারপুর, রাকুদিয়া,রহমতপুর,বাবুগঞ্জ সহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা দেহেরগতি ইউনিয়ন এর রাহুত কাঠি গ্রামের মৃত্যু মোবারেক আলীর ছেলে খামারী মোঃ নাজমুল হাসান বলেন, তার খামারে ৮ টি সাড় গরু আছে যাহার প্রতিটি গরুর মূল্য ১ লক্ষ্য টাকা থেকে শুরু করে ৫লক্ষ টাকা পর্যন্ত। ব্যাবসায়ী মোঃ নাজমুল হাসান ব্যাবসার পাশাপাশি তিনি প্রায় ৫ বছর যাবৎ গরু লালন-পালন করে আসছেন। গত বছরও বেশ কয়েকটি গরু ছিল, যা বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে মোটামুটি ভালো টাকা লাভ হয়েছিল। বর্তমান তিনি ৮টি গরু পালন করছেন। করোনার কারণে বাজারে ভাল দাম মিলবে কিনা এই আতঙ্কে আছেন। তার খামারে ব্রোহমা, শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ানসহ কয়েকটি জাতের সাড় গরু আছে। এর মধ্যে ৬ টি গরু কোরবানির জন্য বাজারজাতকরণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। প্রত্যাশা করছেন, বাজারে ভারতীয় গরুর আধিক্য না থাকলে কয়েক লক্ষ্য টাকা আয় হবে তার। তার মতো খামারিই ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত এখন প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে। গবাদিপশুর খাবার হিসেবে কাঁচা ঘাসের পাশপাশি খৈল, ভুসি ও খড়জাতীয় বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করছেন তিনি। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার বলেন, খামারীদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করে আসছি। তাদের পালনকৃত গবাদীপশু নিয়ে যে কোন সমস্যায় প্রাণী সম্পদ বিভাগ সব সময় পাশে থাকবে। সুতরাং করোনা পরিস্থিতিতে গরুর দাম এবং হাট বন্ধ হওয়া নিয়ে টেনশন বা হতাশ হওয়ার কিছু নেই।