বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চরফ্যাসনের ৪ শ্রমিক নিখোঁজ

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চরফ্যাসনের ৪ শ্রমিক নিখোঁজ

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চরফ্যাসনের ৪ শ্রমিক নিখোঁজ
রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চরফ্যাসনের ৪ শ্রমিক নিখোঁজ

চরফ্যাসন:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ রয়েছেন চরফ্যাসনের চার শ্রমিক। দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিখোঁজ শ্রমিকদের কথা বার বার মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন স্বজনরা। কেউ সন্তান কেউ বাবা হারিয়েছেন। চরফ্যাসনে নিখোঁজ চার শ্রমিক হলেন- চরফ্যাসন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের আমিনাবাদ গ্রামের ফজুলের ছেলে হাসনাইন (১২), একই বাড়ির কবিরের ছেলে রাকিব (২৮), এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নানের ছেলে নোমান এবং ওমরপুরের গোলাম হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন। এ চারজনই ঘটনার দিন কারখানার চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে তাদের পরিবার। ওই দুর্ঘটনার পর থেকে তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তবে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টির সার্বিক খোঁজ-খবর নিচ্ছে। আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আল এমরান প্রিন্স জানান, রাকিব ও হাসনাইন মারা গেছে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা তখন কারখানার চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। নিখোঁজ হাসনাইনের বাবা ফজলু জানান, তার ছেলে ওই ফ্যাক্টরিতে কারিগর রাকিবের সহকারী হিসেবে চতুর্থ তলায় কাজ করতো। দুর্ঘটনার দিনও তারা কারখানায় অবস্থান করেছিলো। গত বুধবার ছেলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে শেষ কথা হয়েছিলো। সে বলেছিলো বাবা ছয়দিন পরেই বাড়িতে চলে আসবো। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম লকডাউনের মধ্যে আসার দরকার নেই, তুমি তোমার মামার বাড়িতে থাকো। আমি সেখানে ফোন করে দেবো। এরপর থেকে ছেলের সঙ্গে আর কথা হয়নি। আমার একমাত্র ছেলে। সে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। ছেলে তো আর ফিরে এলো না। আমি এখন কি নিয়ে থাকবো। আমার তো সব শেষ হয়ে গেছে। চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা তিনজনের নাম-ঠিকানা পেয়েছি, তারা সবাই চরফ্যাসন উপজেলার বাসিন্দা এবং দুর্ঘটনা কবলিত কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তবে তাদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমরা ঢাকায় সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD