শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
ডেস্ক:
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইতে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ মাসুমা আক্তার কেয়াকে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামী শ্বশুর শাশুড়ি ভাসুর ও ঝা,র বিরুদ্ধে। গত বুধবার সকাল ও রাতে দু’দফায় চরমোনাইয়ের চর খানম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত কেয়া ওই এলাকার আবুল মিরার ছেলে রুবেলের স্ত্রী ও বরগুনার বামনা থানার পূর্ব সফিপুর গ্রামের হারুন হাওলাদারের মেয়ে। ঘটনাস্থল থেকে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ গৃহবধূকে কেয়া কে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত কেয়া জানান, গত ৫ বছর পূর্বে কেয়ার সাথে পারিবারিকভাবে রুবেলের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে যৌতুকের জন্য স্বামী রুবেল ও তার পরিবারের সহযোগীরা কেয়ার উপর নির্যাতন শুরু করে। কেয়া সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে বাবার বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়া হয় স্বামী ও তার পরিবারকে। প্রায় সময় যৌতুকের জন্য কে কেয়াকে ঘরের ভিতরে আটকে রুবেল সহ তার শশুর আবুল মীরা, শাশুড়ি সাফিয়া বেগম, ভাসুর সোহেল মীরা, ঝা, রুপা আক্তার নির্যাতন চালায়। বিষয়টি নিয়ে গৃহবধূ কেয়ার পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা সমাধান করে দেয়। গৃহবধূ কেয়া ও রুবেলের সংসারে ছয় মাসের একটি শিশু কন্যা রয়েছে। কেয়া সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বারবার স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতন সহ্য করে আসছে। ঘটনার দিন গত বুধবার সকালে রুবেল যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে কেয়াকে নির্যাতন চালায়। ওইদিনই রাত দশটার দিকে যৌতুকের দাবিতে ফের স্বামী রুবেল ও শাশুড়ি, শশুর, ভাসুর ঝা, ঘরের ভিতরে আটকে ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতন করে। বিষয়টি কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ সংবাদ গৃহবধূ ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনরা জানান।