শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
মুলাদীতে বাস্তবে নাই বিদ্যালয়ের জমি কাগজে আছে!

মুলাদীতে বাস্তবে নাই বিদ্যালয়ের জমি কাগজে আছে!

মুলাদীতে বাস্তবে নাই বিদ্যালয়ের জমি কাগজে আছে!
মুলাদীতে বাস্তবে নাই বিদ্যালয়ের জমি কাগজে আছে!

বরিশাল:

বরিশালের মুলাদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধেক জমি খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ডিক্রীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধেক জমির অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক।ওই বিদ্যালয়ের নামে ৩৩ শতাংশ জমি থাকলেও মাত্র সাড়ে ১৬ শতাংশ জমির অস্তিত্ব রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের মাঠ নেই এবং ভবন ছাড়া কোনো জমিও নেই।জানা গেছে, ডিক্রীরচর গ্রামের মাস্টার আলহাজ আব্দুল মান্নান সিকদার ১৯৯৪ সালে বাধঘাট এলাকায় ২টি দাগে ৩৩ শতাংশ জমি দান করে ডিক্রীরচর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।পরে বিদ্যালয়টি রেজিস্ট্রিভুক্ত এবং ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হয়। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় আলহাজ আব্দুল মান্নান সিকদার জমি দানের বিনিময়ে তার পুত্রবধূকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ওই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করতে গিয়ে সাড়ে ১৬ শতাংশ জমির অস্তিত্ব পান।ওই জমি থেকে মুলাদী-বরিশাল মহাসড়কে তিন শতাংশ জমি চলে গেছে। তাই বিদ্যালয়ের জমি রয়েছে সাড়ে ১৩ শতাংশ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের দলিল অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ জমি থাকার কথা। সার্ভেয়ার দিয়ে ডিক্রীরচর মৌজায় ১১৫নং দাগে রাস্তাসহ সাড়ে ১৬শতাংশ জমি পেয়েছি। বিদ্যালয়ের ১৮১৬ দাগের জমির কোনো অস্তিস্ত পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়ের একটি ভবন নির্মানাধীন। ওই ভবন করার পরে আর কোনো জমি থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের মাঠ নেই। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহীদুল ইসলাম ফকির বলেন, বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের জন্য চলতি বছর মার্চ মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সার্ভেয়ারের অবহেলায় বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সম্পূর্ণ জমি উদ্ধার করা প্রয়োজন।উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের স্বার্থে জমি পরিমাপ ও উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর মোহাম্মাদ হোসাইনী জানান, তিনি উপজেলায় মে মাসে যোগদান করেছেন। বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়টি জানা নাই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD