প্রতিবেদন,বিএফ খান সবুজ:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার গৃহহীনদের পাকা ঘর ব্যবস্থাপনা কে কেন্দ্র করে আমতলী উপজেলায় নিবার্হী কর্মকর্তা কে জড়িয়ে সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের একটি অনুসন্ধানী টিম আমতলী উপজেলার প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী প্রাপ্তির বেশকিছু নির্মাণাধীন হস্তান্তরযোগ্য ঘর নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন শেষে জানা গেল যে, প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রতিটি পাকা ঘরের বরাদ্দকৃত ১-লক্ষ ৭১-হাজার টাকার পরিমাণে পর্যায় ক্রমে ৪৫০-টি পাকা ঘর নির্মাণ করে হস্তান্তর করা হয়। ঠিক এরই মধ্যে বাংলাদেশের উপর বয়ে যায় মহা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। যার ছোবলে লন্ডভপন্ড হয়ে যায় বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকা। আমতলী উপজেলাধীন অঙ্কুজান পাড়া গ্রামের আবুল কালাম মালের নামে বরাদ্দকৃত ঘরটি নিয়ে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, এ ব্যাপারে আবুল কলাম মালকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান যে, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি আনন্দিত যা ক্ষতি হয়েছে বন্যায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা সরকার ঘর দিয়েছে আবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে মেরামত করেও দিতে পারবে। আমতলী উপজেলা টি সাগরকন্যা কুয়াকাটার কাছাকাছি হওয়ায় শাখা ও উপশাখার নদীগুলোর পাশ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া গ্রামগুলোতে আগ্রাসী তাণ্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বমোট ৪৫০-ঘরের মধ্যে মাত্র একটি ঘরের পাশ থেকে ভরাট কৃত বালু সরে যায়। যে কারণে একটি খুঁটিতে ফাটল দেখা দেয় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এর নিকট ঘর নির্মাণে কোন ত্রুটি আছে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে সাফ কন্টাকটার কাজের ঠিকাদার জানান যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিটি ঘর বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে উপযুক্ত শক্ত মজবুত নিয়ম-নীতি মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে। যাহা সাধারণ বন্যা জলোচ্ছ্বাসে অক্ষত দৃশ্যমান থাকা সম্ভব। প্রতিটি ঘরে উন্নতমানের ইট ও ব্রান্ডের সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর তাণ্ডবে একটিমাত্র ঘরের সাধারণ ক্ষতি দেখা দেয় তা পরবর্তীতে অতি স্বল্প খরচে মেরামত যোগ্য। গণমাধ্যমকে ভুল বুঝিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি স্বার্থান্বেষী মহল ফায়দা লোটার জন্য একজন সৎ চরিত্রবান নীতিবান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলার স্থানীয় পর্যায়ে সর্ব সচেতন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সুশীল সমাজ শিক্ষা অনুরাগীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের ব্যাপারে ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে একটি ঘরের খুঁটিতে সাধারণ ক্ষতি দেখা দেয় যাহা খুব সহজে সংস্কার যোগ্য। তাছাড়া প্রতিটি ঘর নির্মাণে অতি উৎকৃষ্ট উন্নত মানের ইট, বালু, সিমেন্ট, রড সহ প্রয়োজনীয় ঘরের চালে ঢেউটিন ছাউনির কাজে ব্যবহৃত সাপোটিং কাঠ সহ কাঠের দরজা এবং উন্নতমানের ঢেউটিন ব্যবহার করা হয়েছে। ল্যাবটেস্টে প্রতিটি ঘরে নির্মাণাধীন মালা-মালের শত ভাগ গুণগতমান অটুট রয়েছে। আমতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আরো জানান যে, সাংবাদিক হলো সমাজের দর্পণ জাতির বিবেক চতুর্থ স্তম্ভ। আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার প্রতিটি ঘর পরিদর্শন করুন এবং ল্যাব টেস্ট করে দেখুন কাজের গুণগত মানে কোন ধরনের কমতি রয়েছে কিনা। প্রধানমন্ত্রী দেওয়া উপহার ঘর নিয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সুশীল সমাজের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান যে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে গণমাধ্যমকে আরো আন্তরিক হতে হবে। না হয় চিরসত্য সব সময় আড়াল থাকবে। এখানকার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা একজন সৎ নির্ভীক ও ভালো মানুষ তিনি পরলোভি নন। আমরা তাহার কর্মজীবনের সার্বিক উত্তর উত্তর মঙ্গল কামনা করছি।