বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
গলাচিপায় ঘর পাওয়ার আকুতি সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যের

গলাচিপায় ঘর পাওয়ার আকুতি সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যের

গলাচিপায় ঘর পাওয়ার আকুতি সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যের
গলাচিপায় ঘর পাওয়ার আকুতি সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যের

 গলাচিপা:

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বেঁচে থাকার মতো ঘর পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য রাসিদা বেগম (৫০)। রাসেদা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমি সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। আমার স্বামী আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী এবং স্থানীয় জনসাধারণের কাছেও ছিলেন যথেষ্ট সুপরিচিত। বর্তমানে আমি খুব অসুবিধার মধ্যেই আছি। আমার মাথা গোঁজার ঠাইও নাই। মুদির হাট বাজারে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে স্বামী সন্তান নিয়ে আশ্রিত ছিলাম। আমার স্বামীর মৃত্যুর পরে আমি অসহায় দিনযাপন করছি। যে বাড়িতে আশ্রিত ছিলাম তারাও এখন আমাকে চলে যেতে বলেছেন। এখন আমি সন্তানদের নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার একটি ঘর পেলে সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকার মতো একটি আশ্রয় হতো। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, তার স্বামী সুলতান হাওলাদারের শরীরে ধরা পরে কঠিন মরণব্যাধি রোগ ফুসফুসের ক্যান্সার। ধার দেনা আর জনগনের সাহায্য দানে এক মাত্র অবলম্বন স্বামীকে বাচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও তাকে আর বাচাঁনো যায় নি। নিজের জায়গা জমি বলতে মাত্র তিন শতক জমি। যা এখনো শূন্য ভিটা পরে আছে। তিনি আরো বলেন, কোন কোন সময়ে না খেয়েও দিন পার করতে হয়, লোকলজ্জায় বলতেও পারি না আবার কারো কাছে চাইতেও পারি না। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. বাদল মিয়া বলেন, আসলেই রাসিদা বেগম স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে সবকিছু হারিয়ে নিস্ব হয়ে গেছেন। স্বামীর মৃত্যুর পরে সে এখন অসহায় দিন কাটাচ্ছেন। সরকারিভাবে তার জন্য একটি ঘরের বরাদ্দ দেওয়া হলে সে সন্তানদের নিয়ে বাকি জীবনটা পার করতে পারতেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান মনির বলেন, আসলেই সংরক্ষিত আসনের সাবেক ইউপি সদস্য রাসিদা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পরে অসহায় হয়ে পড়েছে। তার জমি আছে কিন্তু ঘর নেই।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD