
কলসকাঠি পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বেপরোয়া রুবেল, রিফাত ও বলাকা বেগম।গণমাধ্যম এর শরণাপন্ন হয়ে অভিযোগ করলেন অসহায় চুন্নু হাওলাদার। নিজেদের অসহায়ত্বের কথা বলে ভূমি অফিস কে ভুল বুঝিয়ে ওয়ারিশ ঠকিয়ে একক নামে ডিসিআর কর্তন। উল্লেখ্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা কলসকাঠি মৌজার জে এল-৬৩, এস এ খতিয়ান নাম্বার-১৭৭, যাহার হাল দাগ নাম্বার-১৪১, মোট সম্পত্তি ১৬-শতাংশের ওয়ারিশ অংশ মতে মরহুম শাহ আলম হাওলাদার এর ওয়ারিশগণ চুন্নু হাওলাদার অংশের নামে বণ্টনকে চক্ষু আরাল করিয়া বাকেরগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস কে ভুল তথ্য প্রদান করিয়া মরহুম জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও তাহার পুত্র রুবেল হাওলাদার এর নামে ডিসিআর কাটানো হয়। কিন্তু ডিসিআর এর সমস্ত টাকা চুন্নু হাওলাদারের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সমপরিমাণ বাৎসরিক অর্থ মরহুম জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও তাহার পুত্র রুবেল হাওলাদার এর নিকট সোপর্দ করতো। রুবেল হাওলাদার জাহাঙ্গীর হাওলাদার এর অবর্তমানে উক্ত সম্পত্তির পুনরায় হালনাগাদ ডিসিআর জমা রশিদ কাটেন রুবেল ও তাহার মৃত পিতা জাহাঙ্গীর নামে । ওয়ারিশ ঠকানো এমন লোমহর্ষক ঘটনার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়হিদ মুন্নার নিকট অবহিত করলে, তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত উপনীত হন যে , লকডাউন পরবর্তী সময়ে জমিজমার সঠিক বন্ঠন করে প্রত্যেক ওয়ারিশের মধ্য বুঝিয়ে দেওয়া হবে । কিন্তু এদিকে রুবেল, রিফাত , বলাকা বেগম ও তাহাদের দুর্বলতা এই যে , বিচারের আওতায় উক্ত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি ওয়ারিশদের প্রতি সমবন্টন দিতে হবে এবং সামাজিক বিচারের আওতায় আসতে হবে। এমনটা ভেবে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন । সালিশ বৈঠকের তোয়াক্কা না করে উক্ত সম্পত্তিতে বেদখল ঘরবাড়ি নির্মাণ কাজ চালাইতেছেন । এ ব্যাপারে চুন্নু হাওলাদার গং নির্মাণ কাজে বাধা দিলে রুবেল হাওলাদার গণহত্যা করার হুমকি দেন এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করলে এখন তো কোনো ফল পাননি বলে জানিয়েছেন চুন্নু হাওলাদার। এদিকে সুস্পষ্ট গুঞ্জন শোনা গেছে যে, উক্ত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি ডিসিআর কেটে অন্যের নিকট ব্যবসায়ী মোঃ আলামিন সোহাগ পিতা নুরুল ইসলামের নিকট চড়া দামে বিক্রি করেছেন । বিষয়টি বিচার সালিশিতে উপস্থিত থাকা বর্তমান চেয়ারম্যান সহ ঐ সকল ব্যক্তি গনের দৃষ্টিগোচর হলে, তাহারা সকলেই বিস্মিত হন যে, সম্পত্তি হস্তান্তর করা এটি একটি পূর্ব প্লান। সকলেই চুন্নু হাওলাদার কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে চুন্নু হাওলাদার আইন প্রশাসন এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় বিচার সালিশদার নেতৃবৃন্দের নিকট জোর আবেদন করে ও ইহার কোন সুফল না পেয়ে গনমাধ্যমে অভিযোগ করেন যে, তাহার অর্থনৈতিক অবস্থা সহনশীল বেগতিক হওয়ায় তাহার প্রতি সুবিচার কোথাও কারও কাছ থেকে পানি। এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ও তাহার জীবনের নিরাপত্তা বিষয়ে সুবিচারের বিনীত প্রার্থনা করেন।