শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব বার্তা পরিবেশকঃ
বাবা- মা আত্মীয়- স্বজন পাড়া – প্রতিবেশীর সকল ভালবাসার মায়া ছিন্ন করে একটি মেয়েকে চলে বিয়ের পর যেতে হয় তার স্বামীর ঘরে। সেখানে গিয়ে একটি নতুন পরিবেশে শ্বশুর শ্বাশুড়ি, ননদ, দেবর –ভাবীসহ আত্মীয় স্বজনদের আপন করে একটি মেয়ে শুরু করে তার অনাগত ভবিষ্যত জীবন। প্রথমদিকে সবকিছু ভালভাবে এগিয়ে চললেও মাস ছয়েক অতিবাহিত হবার পর যে মেয়েটি সকলের ভালবাসা ছিন্ন করে যার হাত ধরে নতুন একটি সংসারে এসেছিল সে সংসারের স্বামী নামক দানবের হিংস্রতার চিত্র ফুটে উঠে। এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ থানার উলানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আশা গ্রামের দরিদ্র মোঃ দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা আকলিমা বেগমের। যৌতুক লোভী স্বামী মোঃ মামুন মীরের পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ঘর ছাড়া হয়েছে স্ত্রী আকলিমা বেগম এবং তার দুই শিশু সন্তান আকিব( ১১) ও মুনিয়া ( ৪) বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামীর পাশবিক নির্যাতনের শিকার স্কুল শিক্ষিকা দুই সন্তানের জননী আকলিমা বেগম জানায়, বরিশাল জেলাধীন মেহেন্দিগঞ্জ থানার হর্নি ইউনিয়ন পরিষদের পানবাড়িয়া গ্রামের কাশেম মীরের পুত্র মোঃ মামুন মীরের সাথে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমি জানতে পারি সে মাদকাসক্ত ও জুয়ারি। যখনই তার টাকা জুয়া খেলে শেষ হয়ে যায় তখনই সে আমাকে আমার বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলে। টাকা এনে দিতে পারবো না বললেই সে আমাকে মারধর করে। কোলের দুই শিশু সন্তানের দিকে তাকিয়ে আমি তার সকল নির্যাতন মুখ বুঝে সহ্য করে আসলেও গত ২৫ আগষ্ট সে জুয়া খেলে তার টাকা নষ্ট করে আমাকে আমার বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলে। টাকা এনে দিতে পারবো না বললে সে বলে দেখ কিভাবে টাকা আনতে হয় এই বলেই সে নিজেই নিজেকে আঘাত করে এবং বাড়িঘর ভাংচুর করে আমাকে তার বাড়ি ছাড়া করে দেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে আমার দুই সন্তানকে নিয়ে আমার বাবার বাড়ি আশ্রয় নেই। ইতিপূর্বে মাদকাসক্ত ও জুয়ারি মামুন মীরের অসংখ্য এমন ঘটনা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের মাধ্যমে বিচার শালিশি হলেও যৌতুক লোভী মামুন নির্যাতনের ষ্টিম রোলার চালিয়ে যাচ্ছিল আমার উপর। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন মীরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা সম্ভবপর হয়নি।