বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
বরগুনায় সাড়ে ৩ বছরেও হয়নি উপ-নির্বাচন

বরগুনায় সাড়ে ৩ বছরেও হয়নি উপ-নির্বাচন

বরগুনায় সাড়ে ৩ বছরেও হয়নি উপ-নির্বাচন
বরগুনায় সাড়ে ৩ বছরেও হয়নি উপ-নির্বাচন

বরগুনা:

বরগুনার আমতলী পৌরসভার দুটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের মৃত্যুর কয়েক বছর পেরোলেও উপ-নির্বাচন হয়নি। জনপ্রতিনিধি না থাকায় পৌরসভার সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন ২ নম্বর ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। আমতলী পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমতলী পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মঞ্জুরুল ইসলাম সেলিম পঞ্চায়েত এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কালু খলিফা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। শপথ গ্রহণের ছয় মাসের মাথায় সেলিম পঞ্চায়েত এবং ২০২০ সালের ১৭ জুলাই কালু খলিফা মারা যান। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এ দুটি পদ এখনো শূন্য ঘোষণা হয়নি। ফলে উপ-নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়নি। স্থানীয়দের আক্ষেপ, কাউন্সিলর সেলিম মারা যাওয়ার তিন বছর পাঁচ মাস ও কালু মারা যাওয়ার আড়াই ২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো উপ-নির্বাচন হয়নি। কাউন্সিলর না থাকায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন দুই ওয়ার্ডের মানুষ। অপরদিকে, সরকারিসহ বিভিন্ন সেবা পেতে হলে ওই দুই ওয়ার্ডের মানুষদের অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের কাছে যেতে হয়। এতে তারা বেশ হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই ওয়ার্ডের কয়েকজন নাগরিক বলেন, আমাদের পরিচয়পত্রসহ অন্য নাগরিক সেবা নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হলে নারী কাউন্সিলরদের শরণাপন্ন হতে হয়। নয়তো অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের কাছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরনা দিতে হয়। এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সেলিম রেজা বলেন, আমার কাছে এ বিষয়ে তথ্য নেই। পৌর মেয়র এ বিষয়ে সব জানেন। আমতলী পৌরমেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে এতদিন বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জানাতে বিলম্ব হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দীলিপ কুমার হাওলাদার বলেন, আমতলী পৌরসভার দুই ওয়ার্ডের শূন্য পদের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি। কিন্তু তারা ওই দুই ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনের অনুমতি দিচ্ছেন না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD