বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে গাছ, সুবাস ছড়াচ্ছে বাতাসে।

মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে গাছ, সুবাস ছড়াচ্ছে বাতাসে।

দৃষ্টির সীমানাজুড়ে সোনালী রঙে নজর কাড়ছে আমের মুকুল।

আম গাছে আসতে শুরু করেছে আমের গুটি। সেই সঙ্গে ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন নওগাঁর চাষিরা।

জেলার সাপাহার, পোরশা নিয়ামতপুর এবং পত্নীতলা উপজেলায় আমের বাগান রয়েছে বেশি। তবে সব থেকে বেশি আমের বাগান রয়েছে সাপাহার ও পোরশা উপজেলায়। সাপাহার উপজেলার আমবাগানীরা বলেন, গেল বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে মুকুল সঠিক সময়ে এসেছে। যেহেতু এখন পর্যন্ত বড় রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসেনি। ফলে গাছজুড়ে মুকুলের পরিমাণও দেখা যাচ্ছে বেশি। অন্যদিকে পোকার আক্রমণ কিছুটা কম। তবে নিয়ম মেনে শুরু থেকেই এখন পযন্ত দিতে হয়েছে ওষুধ।

বাগানমালিকরা আরও বলেন, বছর বছর আম চাষে খরচ বাড়ছে। পানি সেচ, ঔষধ, শ্রমিকের মজুরি, বাগান পরিচর্যা সব মিলিয়ে খরচের লিস্ট লম্বা হচ্ছে দিনের পর দিন। সেই তুলনায় আমের বাজার দাম নিয়ে কিছুটা চিন্তায় চাষিরা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনে চাষিরা লাভবান হবেন।

এ জেলায় আম্রোপালি, ফজলি, হিমসাগর গৌড়মতি বারী -৪, জাতের আমচাষ হয় বেশি। তবে উৎপাদিত আম্রোপালি আমের চাহিদা রয়েছে বেশ। চাষিদের দাবি, নওগাঁয় উৎপাদিত আম্রোপালি আম দেশসেরা। বিশেষ করে সাপাহারের মাটির গুণগত মানের কারণেই আমের স্বাদ অতুলনীয় হয়।

সাপাহার উপজেলার যুব উদ্যোক্তা  সোহেল রানা জানান, এবছর প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে আমচাষ করেছেন তিনি। তার বাগানে দেশীয় আমের পাশাপাশি কয়েক জাতের রঙিন বিদেশি আম চাষ করা হয়েছে। বেশ কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে তার বাগানের আম রপ্তানি করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ বছর জেলায় ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির আম এবং গেল বছরের তুলনায় আম বাগানে সংখ্যা বেড়েছেন প্রায় ২ হাজার হেক্টর বেশি।

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মনিরুজ্জামান জানান, আমের গাছে যখন মুকুল আসে সেই মুহূর্তে গাছে বেশি পরিমাণ খাবার প্রয়োজন হয়। আর ফুল থেকে যখন ফল ফরমেশন হয় তখন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি পানির চাহিদা থাকে বেশি। এজন্য ১০ অথবা ১৫ দিন পর পর গাছের গোড়ায় পানি সেচের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চাষিদের। এর পাশাপাশি যদি পোকামাকড় কিংবা অন্য কনো সমস্যা দেখা যায়, সেক্ষেত্রে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে। এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ আমের মুকুল রয়েছে গাছে। তাতে করে যদি প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হয় তাহলে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ মৌসুমে ফলন পাওয়া যাবে রেকর্ড পরিমাণ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD