সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

আজ অষ্টম রমজান, রহমতের দশকের শেষ হতে চলেছে

আজ অষ্টম রমজান, রহমতের দশকের শেষ হতে চলেছে

Photo: Shutterstock

আমরা সাধারণত মনে করে থাকি রমজান মাসের বৈশিষ্ট্য শুধু ‘রোজা রাখা আর তারাবিহ পড়া’। এগুলো রমজানের প্রধান দুটি ইবাদত। এ ছাড়াও এ মাসটির রয়েছে ভিন্ন এক উদ্দেশ্য। যেমন আল্লাহপাক মহাগ্রন্থ আল কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছি যেমনিভাবে করেছিলাম তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর যাতে তোমরা মুত্তাক্বি হতে পারো’। সুতরাং রমজানের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খোদাভীতি অর্জন। বিগত বছরের সকল পাপাচার থেকে মুক্ত করে তোলাই হচ্ছে এ মাসের প্রধান পয়গাম। মাসটির ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে হযরত সালমান ফারসি (রা.) বলেন, একবার নবিয়ে করিম (সা.) শাবানের শেষ তারিখে আমাদের সম্বোধন করে বলেন, “হে মানবজাতি! তোমাদের মধ্যে এমন একটি মোবারক মাস উপস্থিত হয়েছে যে মাসটির মাঝে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। মানবজাতির ধর্মীয়গ্রন্থ আল-কোরআন যে মাসে নাজিল হয়েছে এটা অবশ্যই কারও অজানা নয়। আর অজানাদের জন্য আল্লাহপাকের ঘোষণা রয়েছে ‘রমজান সেই মাস যে মাসে নাজিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হেদায়ত এবং পথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্যকারী’।-বাকারা/১৮৫

রমজান মাস হচ্ছে মুমিনের জন্য ইবাদতের বসন্তকাল। রোজাদার ইবাদতের মাধ্যমে রমজানকে কাজে লাগাতে পারলে একটি রমজানই জীবনের সফলতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট। রমজানের প্রতিটি ইবাদতের জন্য নূন্যতম ৭০ গুন বেশি সওয়াবের ঘোষণা রয়েছে। রোজাদারের জন্য উচিত হলো বেশি বেশি নফল ইবাদতের মনোনিবেশ করা। রোজা ফরজ করার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো দুস্থ-অসহায় মানুষের ব্যথানুভূতির। যারা প্রাচুর্যের খনিতে বাস করেন তারা এ মাসে গরিব-দুঃখীর ব্যাথা কিছুটা হলেও বোঝেন। রমজানের দাবি হচ্ছে, ওইসব লোকের প্রতি সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেয়া যাদের সেহরিতে এক মুষ্টি অন্ন ও গরিব-দুঃখির পাশে দাঁড়ানো রমজানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ও লক্ষ্য।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD