বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
গলাচিপা,পটুয়াখালী:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দশ থেকে পনেরো জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দশজনকে পটুয়াখালী সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধা সোয়া ৬টার দিকে গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বটতলা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা একটি মিছিল শেষে নির্বাচনি অফিসে অবস্থান করছিলেন।
এ সময় হঠাৎ করে গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের ২০-২৫ জন সমর্থক মিছিল নিয়ে বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বটতলা বাজারে হাসান মামুনের নির্বাচনি অফিস ও ইউনিয়ন বিএনপি অফিসে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।
হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে ১০-১৫ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন এবং প্রশাসনের জড়ো হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া দিলে পালিয়ে যায়। মারধরে গুরুতর আহত অবস্থায় মো. আরিফ মুন্সি, মো. মাহাবুল ও মো. মতি সিকদারকে মঙ্গলবার রাতেই পটুয়াখালী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত আরিফ মুন্সি বলেন, আমরা নির্বাচনী বিষয়ে বাজারের লোকজনের সাতে অফিসে বসে আলোচনা করছিলাম।
হঠাৎ গণঅধিকার পরিষদের ২০-২৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অফিসে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। আমরা বাধা দিলে আমাদের মারধর করা হয় এবং অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন মুঠোফোনে বলেন, আমি তখন নির্বাচনী গণসংযোগে ছিলাম। ঘটনার খবর পেয়ে থানায় জানিয়েছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের সমর্থক ও তার দলবল নিয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। জনগণই এসব অপশক্তির জবাব দেবে। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক নূর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ঘটনার কোনো সত্যতা নেই।


পটুয়াখালী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১৫
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “খবর পেয়ে বটতলা বাজারে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।