বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন সেই ব্যাংক কর্মকর্তা

মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন সেই ব্যাংক কর্মকর্তা

মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন সেই ব্যাংক কর্মকর্তা
মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন সেই ব্যাংক কর্মকর্তা

বরিশাল:

অক্সিজেন সেচুরেশন লেভেলসহ সার্বিক পরিস্থিতি আগের মতো ঠিকঠাক থাকায় মাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে গেছেন সেই ব্যাংক কর্মকর্তা জিয়াউল হাসান। তিনি জানান, শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে মাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরে এসেছেন।জিয়াউল হাসান বলেন, এরপর মা তার দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন করে নামাজ পড়তে পারছেন, খাবারও ঠিকভাবে খেতে পারছেন। তাকে হাঁটাচলা করতে দেখে নিজের কাছেই খুব ভালো লাগছে।  এদিকে কৃষি ব্যাংকের ঝালকাঠি সদর শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা জিয়াউল হাসান তার ফেসবুক আইডি থেকেও একটি পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে তিনি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেছেন। নিজের শরীরের সঙ্গে গামছা দিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে মোটরসাইকেলে করে নিজের মাকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জিয়াউল হাসান নামের ওই ব্যাংক কর্মকর্তা। কোনো উপায় না থাকায় ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যপাশা এলাকার বাড়ি থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে আসতে হয়। জিয়াউল হাসানের মা রেহেনা পারভীন ঝালকাঠির নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা। মায়ের শরীরে জ্বর দেখা দিলে ৯ এপ্রিল প্রথম করোনার পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন নলছিটিতে। কিন্তু বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও তার রিপোর্ট না আসায় ১৫ এপ্রিল শেবাচিম হাসপাতালে পুনরায় নমুনা দেন এবং ১৭ এপ্রিল অক্সিজেন সেচুরেশন লেভেল কমতে থাকলে মাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ শেবাচিম হাসপাতালে আসেন জিয়াউল হাসান। জিয়াউল হাসান বলেন, ৯ ও ১৫ এপ্রিলের রিপোর্ট ১৭ এপ্রিল রাতে পরপর দুটি আলাদা ম্যাসেজে জানতে পারি। যেখানে ৯ তারিখের রিপোর্টেই মা করোনা পজেটিভ ছিলেন। সেই হিসেবে ১৪ দিনের বেশি হয়ে গেছে তার আক্রান্তের সময়। চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখে যখন তাকে সুস্থ মনে হয়েছে তখনই তাকে নিয়ে বাসায় এসেছি। কাল হয়তো আবার নমুনা পরীক্ষার জন্য দেবো। তবে মায়ের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD