বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
বেতাগী :
পুকুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ময়লা আবর্জনা। পুকুরের পাড়ে গেলে সেই পানি থেকে দুগন্ধে অতিষ্ঠ করে তোলে। পুকুরটি যথোপযুক্ত খনন না করায় এবং অর্ধ শতাধিক পরিবারে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করায় পানি তলানীতে জমেছে। পানি দূষিত হওয়ার ফলে ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ২ শ পরিবারের ৬ শতাধিক লোকের। জানা গেছে, বরগুনার বেতাগী পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্র ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় মানুষের চাহিদানুযায়ী এই পুকুরটি ১৯৭২ সালে খনন করা হয়। পুকুরের পূর্ব পাশে গণগ্রন্থাগার, অডিটোরিয়াম এবং মসজিদ রয়েছে। দক্ষিন পাশে সরকারি কলেজের প্রবেশ পথ এবং পশ্চিম পাশে পৌরশহরে বাজার ও পুলিশ ষ্টেশনের যাতায়াতের সড়ক পথ। এক সময় সৌন্দর্য বর্ধনে পরিপূর্ন ছিল পুকুর। কিন্তু ১৯৯৮ সালের পর ওই পুকুরটি পূর্ন সংস্কার করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকারি কলেজের পুকুর থেকে মসজিদের অজু ও গোছল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ৬ শতাধিক রান্না বান্না মানুষে ব্যবহারের একমাত্র অবলম্বন। পুকুরের সাথে ৫০ টির বেশি পরিবার পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করছে। এছাড়া এ এলাকায় গত ৭ মাস যাবত বৃষ্টি হয়নি। পানির স্তর পুকুরের তলানিতে চলে গেছে। এলাকার লোকজন গবাদি পশুর মলমূত্র, পরিত্যাক্ত খাবারের উচ্ছষ্টাংশ এবং ময়লা আবর্জনা প্রতিদিনই ছুড়ে ফেলছে। ফলে পানি দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কলেজ গেটের মুদি মনোহারী দোকানদার আল আমিন জানায়,’ পুকুরে পানি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অতি দ্রুত এর সমাধান করা দরকার। দূষিত পানি ব্যবহারে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার অনেকেরই জন্ডিস, কলেরা, আমাশয় ও ডায়রিয়াসহ নানা ধরণের পানিবাহিত রোগের প্রাদূর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ বিষয় সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নূরুল আমিন বলেন,’ যেহেতু সরকারি কলেজ, সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিলে পুকুর পূর্ন খনন করা সম্ভব হবে। ‘ বেতাগী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর এবিএম মাসুদুর রহমান বলেন,’ পৌরসভার পক্ষ থেকে সাপ্লাইয়ের পানির লাইনের কাজ চলমান রয়েছে। বৃষ্টি হলে এর অনেকটা সমাধান হবে। তবে বৃষ্টি না হলে এলাকার স্বার্থে পানির বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে। ‘