শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
বরিশাল বিভাগে ১৭০৬ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ

বরিশাল বিভাগে ১৭০৬ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ

বরিশাল:

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাদের মধ্যে এরইমধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ৭০৬ জন ব্যক্তি। যারমধ্যে অধিকাংশেই বিদেশ ফেরত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ১৪ দিন বাড়িতে থাকার পরও এদের কোন শারিরীক অসঙ্গতি দেখা না যাওয়ায় হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২ হাজার ৯ শত জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যারমধ্য থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৭০৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়া বরগুনা জেলায় হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকা ৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ফলে এ পর্যন্ত বিভাগে কোয়ারেন্টিন থেকে মোট ১ হাজার ৭০৯ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগের মধ্যে বরিশাল, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলায় কাউকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়নি, বাকী ৩ জেলায় ৬০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বিভাগের ৬ জেলায় মোটা ১৬১ জনকে গত ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এরবাহিরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও ভোলা ও বরগুনায় ১ জন করে রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, করোনা সন্দেহে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডগুলোতে রোগী ভর্তি করা হলেও বিভাগের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত এ পর্যন্ত হয়নি। শেবাচিম হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিভাগের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ভাইরাস পরীক্ষার জন্য পিসিআর মেশিন এসে পৌছেছে। যেটি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD